উখিয়ার নিদানিয়ায় ফেরাউনের নেতেৃত্বে ২১০ টি সুপারী চারা কর্তন,থানায় অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার,উখিয়া ::
জমি সংত্রুান্ত বিরোধের জের ধরে উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মধ্যম নিদানিয়া গ্রামে ফেরাউনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বসতভিটের রোপিত ২/৩ বছরের ২১০ টি সুপারী গাছের চারা উপড়ে ফেলেছে। এ ঘটনায় আপন বড় ভাই ফেরাউনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে ছোট ভাই নুরু।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়,উপজেলার উপকুলীয় এ ইউনিয়নের মধ্যম নিদানিয়া গ্রামের মৃত হাজী এরশাদ উল্লাহর ছেলে ছৈয়দ হোছাইন প্রকাশ ফেরাউন পিতার মৃতে্যুর পর থেকে বিভিন্নভাবে ভাই নুরুল আমিন নুরু,বোন নুর জাহান সহ অন্যন্যদের সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক শালিস বেঠকও হয়েছে। বিচারের মাধ্যমে যার যার প্রাপ্ত সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কিস্ত ফেরাউন বিচারের রায় অমান্য করে বেশ কয়েকবার ভাইবোনের সম্পত্তি দখলে নিতে চেষ্টা চালায়। এরি অংশ হিসেবে ফেরাউনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গত ৩ নবেম্বর রাত ১১ টার দিকে ছ্টো ভাইবোনের সত্ব দখলীয় জমিতে প্রবেশ করে বসতভিটেয় রোপিত ২১০ টি সুপারী গাছের চারা উপড়ে ফেলে। এ সময় ছোইভাই নুরু বাধা প্রদান করিলে তাকে খুন করে গুম করে ফেলার হুমকি দেয় বড়ভাই ফেরাউন। স্থানীয় জনগন জড়ো হলেও ফেরাউন প্রকাশ্যে হুমকি ধকমি অব্যাহত রাখে। এ ঘটনায় ছোটভাই নুরুল আমিন নুরু বাদী হয়ে বড়ভাই ছৈয়দ হোছাইন ফেরাউনসহ অজ্ঞাতনামা ৩জনের বিরুদ্ধে গত ৪ নবেম্বর উখিয়া থানা একটি এজাহার দায়ের করেছে।

ad

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল আমিন নুরু জানান,বড়ভাই ফেরাউন আমাদের প্রাপ্ত সম্পত্তি আত্বসাৎ করার জন্য সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছে। প্রতিনিয়নত আমাদের মেরে ফেলার হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে। তিনি যে সন্ত্রাসী প্রকৃতিক লোক এটা এলাকার সবাই জানে। ১৯৯১‘ সালে তার নির্দেশে ১২ কড়া জমির জন্য ঘুন করা হয় রোকেয়া বেগমকে। তার শালা নুরুল আমিন নুরু এ খুন করলেও নামের মিল থাকায় এর দায় পড়ে আমার উপর। যার দারুন আমাকে মিথ্যা খুনের অপবাদে ১২ বছর জেল খাটতে হয়। এখন আবার নতুন করে আমাদের সম্পত্তি দখলে নিয়ে আমাদের পথে বসাতে চাচ্ছে ফেরাউন। সে বিয়ে করেছে দুটি,প্রথম স্ত্রীর ছেলেরাও তার এ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তাই স্থানীয় আইন প্রয়োগ সংস্থা সমুহের কাছে আমরা সুবিচার প্রার্থনা করছি। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের বলেন, এরকম একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।