ইউএনও’র রাস্তা নির্মাণ কাজ পরিদর্শন, ঠিকাদারকে শোকজ

উখিয়ার ডিগলিয়া-ডেইলপাড়া সড়ক নির্মাণ অনিয়ম

নিজস্ব প্রতিনিধি::
উখিয়ায় গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের নামে গত ১ বছর আগে রাস্তা খোড়াখুড়ি ও সড়কের পুরাতন ইট খুলে নিয়ে ঠিকাদার উধাও হয়ে যাওয়ার খবর জেলার বহুল প্রচারিত উখিয়া নিউজ ডটকমে প্রকাশিত হলে টনকনড়ে উপজেলা এলজিইডি অফিস ও সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদারের। এরপর ঠিকাদার কংক্রিটের সাথে বালির পরিবর্তে মাটি দিয়ে দায়সারা ভাবে কাজ শুরু করে। যাহা বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা ও এলজিইডি অফিসারকে অবহিত করিলে তারা বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অনিয়মের সত্যতা পান। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেন উপজেলা এলজিইডি অফিসার রবিউল ইসলামকে।
সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পূর্বাঞ্চলীয় জনপদ ডেইলপাড়া, পূর্বডিগলিয়া, করইবনিয়া, চাকবৈঠাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রয় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ সড়কটি জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গত এক বছর পূর্বে ঠিকাদার সড়কটি খোঁড়াখুঁড়ি করে ফেলে রাখার কারনে এই হয়রানির সম্মূখীন হয়েছেন সাধারণ পথচারীরা। এলাকার সহজ সরল মানুষ এ নিয়ে কোন দিন প্রতিবাদ করেনি। যার ফলে সড়কটি বেওয়ারিশের মতো হয়ে পড়ে থাকে। সম্প্রতি সড়কের অনিয়ম, খোঁড়াখোঁড়ি করে ঠিকাদার উধাও সার্বিক বিষয়ে তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশ করা হয় জেলা বহুল প্রচারিত উখিয়া নিউজ ডটকমে।
উখিয়া এলজিইডি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উখিয়ার চৌরাস্তা (পশ্চিম ডিগলিয়া) মাথা থেকে শুরু করে অলি বকসুর বাড়ী পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ ও সেখান থেকে ডেইলপাড়া পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়ক প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে ২টি প্যাকেজে কার্পেটিংয়ের কাজ উন্নতিকরণের লক্ষ্যে সরকার প্রকাশ্যে দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে সর্বনি¤œ দরদাতা ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া হয়।
উখিয়া এলজিইডি অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, পশ্চিম ডিগলিয়া থেকে অলি বকসুর বাড়ী পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন সড়কের কাজ পরিদর্শন করে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঠিকাদার মেকাডম মেশানোর সময় বালি পরিবর্তে বাড়ী দেওয়ায় তাকে কঠোর ভাবে সতর্কের পাশাপাশি কারণ দর্শানো হয়েছে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী সড়ক নিয়মে অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদারকে শোকজ করার জন্য এলজিইডি অফিসারকে বলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসমস্ত কংক্রিট রাস্তায় দেওয়া হয়েছে তা তুলে পূনরায় বালি মেশানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারী দেন ইউএনও।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার আশরাফ উদ্দিনের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ad